আপডেট সময়:
০৭:০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
66
বাংলাদেশ–সৌদি আরবের মধ্যে সাধারণ কর্মী নিয়োগে ঐতিহাসিক চুক্তি
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে সাধারণ কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত একটি ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে সোমবার (৬ অক্টোবর) রিয়াদে। বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এবং সৌদি আরবের পক্ষে মানবসম্পদ মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার আহমেদ বিন সোলাইমান আল-রাজী। এটাই দুই দেশের ইতিহাসে প্রথম আনুষ্ঠানিক সাধারণ কর্মী নিয়োগ চুক্তি। এর ফলে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে দক্ষ, আধা-দক্ষ ও সাধারণ শ্রমিক পাঠানো আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে। চুক্তিতে কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা, আকামা নবায়ন, এক্সিট ভিসা, প্রশিক্ষণ ও ডিজিটাল যাচাইকরণ ব্যবস্থা নিশ্চিতের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ২৭ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত, যারা বছরে প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠান। এই চুক্তি কার্যকর হলে আগামী দুই বছরে কর্মীর সংখ্যা ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বাংলাদেশ সরকার বলছে, এই চুক্তি দেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং প্রবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিতের নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে সাধারণ কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত একটি ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে সোমবার (৬ অক্টোবর) রিয়াদে।
বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল এবং সৌদি আরবের পক্ষে মানবসম্পদ মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার আহমেদ বিন সোলাইমান আল-রাজী।
এটাই দুই দেশের ইতিহাসে প্রথম আনুষ্ঠানিক সাধারণ কর্মী নিয়োগ চুক্তি। এর ফলে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে দক্ষ, আধা-দক্ষ ও সাধারণ শ্রমিক পাঠানো আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে।
চুক্তিতে কর্মীদের অধিকার সুরক্ষা, আকামা নবায়ন, এক্সিট ভিসা, প্রশিক্ষণ ও ডিজিটাল যাচাইকরণ ব্যবস্থা নিশ্চিতের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে সৌদি আরবে প্রায় ২৭ লাখ বাংলাদেশি কর্মরত, যারা বছরে প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠান। এই চুক্তি কার্যকর হলে আগামী দুই বছরে কর্মীর সংখ্যা ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।
বাংলাদেশ সরকার বলছে, এই চুক্তি দেশের শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, রেমিট্যান্স বৃদ্ধি এবং প্রবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিতের নতুন অধ্যায় সূচনা করবে।